নিজের প্রশংসা করে প্রচারিত টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে আর করদাতাদের অর্থ ব্যবহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
দেশজুড়ে এসব বিজ্ঞাপন নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পর সোমবার (৫ অক্টোবর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘোষণা দেন তিনি।
ট্রাম্প দাবি করেন, বিজ্ঞাপনগুলো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক প্রচার ছিল। তবে এখন থেকে এসব বিজ্ঞাপনের খরচ সরকারি অর্থে নয়, তিনি নিজে অথবা তার রাজনৈতিক তহবিল থেকে বহন করবেন।
এর আগে এসব বিজ্ঞাপনে সরকারি তহবিল থেকে অন্তত ১৫ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় পর্যায়ে প্রচারিত তিনটি বিজ্ঞাপন নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। নৈতিকতা বিশেষজ্ঞ ও উভয় দলের আইনপ্রণেতারা বিজ্ঞাপনগুলোর বিষয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানান।
রোববার (৪ অক্টোবর) ফুটবল ম্যাচসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলাকালেও বিজ্ঞাপনগুলো প্রচারিত হয়। একটি বিজ্ঞাপনে ট্রাম্পকে বলতে দেখা যায়, ‘আমেরিকা কখনো কমিউনিস্ট দেশ হবে না।’ এরপর সমবেত কণ্ঠে ‘আমাকে ভালোবাসুন’ ধরনের বক্তব্য শোনা যায়। আরেকটি বিজ্ঞাপনে রাশমোর পর্বতের ছবি দেখানোর পাশাপাশি ট্রাম্পের ‘আমেরিকার স্বর্ণযুগ’ নিয়ে বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
বিজ্ঞাপনগুলোর শেষে এগুলো যুক্তরাষ্ট্র সরকার অর্থায়ন করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা গত মাসে অভিযোগ করেন, হোয়াইট হাউস স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের ২ কোটি ডলার তহবিল বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য সরিয়ে নিয়েছে। তাদের দাবি, এর মধ্যে একটি বিজ্ঞাপন ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারের বিজ্ঞাপনের সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে। এ ঘটনায় তারা স্বাধীন তদন্তের দাবি জানান।
ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল রব বোন্টাও সোমবার (৫ অক্টোবর) স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। সরকারি অর্থের এমন ব্যবহারকে তিনি ‘জনগণের অর্থের ভয়াবহ অপব্যবহার এবং জনআস্থার লঙ্ঘন’ বলে মন্তব্য করেন।
তবে ফেডারেল যোগাযোগ কমিশনের চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কার গত সপ্তাহে এসব বিজ্ঞাপনকে যথাযথ বলে মন্তব্য করেন এবং বিজ্ঞাপনগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। ট্রাম্পই তাকে ওই পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন।
এদিকে, ট্রাম্পের রাজনৈতিক তহবিল ‘মাগা ইনকরপোরেটেড’ (MAGA Inc.)-এ জুলাইয়ের শেষ নাগাদ ৪০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ জমা ছিল
দেশজুড়ে এসব বিজ্ঞাপন নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পর সোমবার (৫ অক্টোবর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘোষণা দেন তিনি।
ট্রাম্প দাবি করেন, বিজ্ঞাপনগুলো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক প্রচার ছিল। তবে এখন থেকে এসব বিজ্ঞাপনের খরচ সরকারি অর্থে নয়, তিনি নিজে অথবা তার রাজনৈতিক তহবিল থেকে বহন করবেন।
এর আগে এসব বিজ্ঞাপনে সরকারি তহবিল থেকে অন্তত ১৫ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় পর্যায়ে প্রচারিত তিনটি বিজ্ঞাপন নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। নৈতিকতা বিশেষজ্ঞ ও উভয় দলের আইনপ্রণেতারা বিজ্ঞাপনগুলোর বিষয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানান।
রোববার (৪ অক্টোবর) ফুটবল ম্যাচসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলাকালেও বিজ্ঞাপনগুলো প্রচারিত হয়। একটি বিজ্ঞাপনে ট্রাম্পকে বলতে দেখা যায়, ‘আমেরিকা কখনো কমিউনিস্ট দেশ হবে না।’ এরপর সমবেত কণ্ঠে ‘আমাকে ভালোবাসুন’ ধরনের বক্তব্য শোনা যায়। আরেকটি বিজ্ঞাপনে রাশমোর পর্বতের ছবি দেখানোর পাশাপাশি ট্রাম্পের ‘আমেরিকার স্বর্ণযুগ’ নিয়ে বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
বিজ্ঞাপনগুলোর শেষে এগুলো যুক্তরাষ্ট্র সরকার অর্থায়ন করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা গত মাসে অভিযোগ করেন, হোয়াইট হাউস স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের ২ কোটি ডলার তহবিল বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য সরিয়ে নিয়েছে। তাদের দাবি, এর মধ্যে একটি বিজ্ঞাপন ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারের বিজ্ঞাপনের সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে। এ ঘটনায় তারা স্বাধীন তদন্তের দাবি জানান।
ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল রব বোন্টাও সোমবার (৫ অক্টোবর) স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। সরকারি অর্থের এমন ব্যবহারকে তিনি ‘জনগণের অর্থের ভয়াবহ অপব্যবহার এবং জনআস্থার লঙ্ঘন’ বলে মন্তব্য করেন।
তবে ফেডারেল যোগাযোগ কমিশনের চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কার গত সপ্তাহে এসব বিজ্ঞাপনকে যথাযথ বলে মন্তব্য করেন এবং বিজ্ঞাপনগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। ট্রাম্পই তাকে ওই পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন।
এদিকে, ট্রাম্পের রাজনৈতিক তহবিল ‘মাগা ইনকরপোরেটেড’ (MAGA Inc.)-এ জুলাইয়ের শেষ নাগাদ ৪০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ জমা ছিল
আন্তজার্তিক ডেস্ক